
1. দলিল প্রস্তুত ও স্বাক্ষর: প্রথমে বাংলাদেশের একজন দক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির খসড়া (Draft) তৈরি করে নিন। এরপর দাতার
2. হাই কমিশনের প্রত্যয়ন: দাতার স্বাক্ষর এবং ছবি পরীক্ষা করে বাংলাদেশ হাই কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দলিলটি প্রত্যয়ন (Attestation) করবেন।
3. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন (বাংলাদেশ): হাই কমিশন থেকে প্রত্যয়িত দলিলটি বাংলাদেশে পাঠানোর পর, সেটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে (Ministry of
Foreign Affairs, Dhaka) জমা দিয়ে পুনরায় সত্যায়িত করিয়ে নিতে হবে। এটি বাংলাদেশে দলিল পৌঁছানোর ২ মাসের মধ্যে করতে হয়।
4. রাজস্ব বা ডিসি অফিস থেকে স্ট্যাম্পিং: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়নের পর দলিলটি জেলা প্রশাসকের (ডিসি অফিস) রাজস্ব শাখায় জমা দিয়ে নির্ধারিত
মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের সমপরিমাণ সরকারি ফি (Stamping) পরিশোধ করতে হবে।
5. সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধন (Registration): যেহেতু দলিলটি জমির (স্থাবর সম্পত্তি) জন্য, তাই স্ট্যাম্পিং করার পর সর্বোচ্চ ৪ মাসের মধ্যে সম্পত্তিটি
যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অধীনে, সেখানে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলেই কেবল গ্রহীতা (Attorney) আইনগতভাবে কাজ করার
ক্ষমতা পাবেন।
6. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: দাতার পাসপোর্ট এবং বাংলাদেশি পরিচয়পত্র (NID/পুরাতন পাসপোর্ট/জন্ম সনদ), গ্রহীতার NID ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং জমির
হালনাগাদ খতিয়ান ও দাখিলা (খাজনা রসিদ) আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।